গত কিছু সময় ধরে আমি একটা বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে লক্ষ্য করছি। একই AI টুল ব্যবহার করেও ফলাফল মানুষের ক্ষেত্রে একরকম হয় না। কেউ বলছে AI দিয়ে কিছুই করা যায় না, আবার কেউ ঠিকই এই একই টুল ব্যবহার করে কাজ করছে, আয় করছে, নিজের জায়গা তৈরি করছে।

এই পার্থক্যের মূল কারণ টুল না।
এই পার্থক্যের মূল কারণ প্রশ্ন করার ধরন।

এই জায়গাটাকেই আমরা সাধারণভাবে বলি Prompt Engineering

এই ক্যাটাগরি আমি তৈরি করছি মূলত সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে। ইউটিউব ভিডিওতে, লাইভ সেশনে, ইনবক্সে আমি বারবার একই প্রশ্ন পাই। কোন প্রম্পট লিখবো, কীভাবে লিখবো, কেন আমারটা কাজ করছে না, অন্যেরটা কেন করছে। তখন বুঝেছি, মানুষ আসলে AI ব্যবহার করতে চায়, কিন্তু কোথা থেকে শুরু করবে সেটাই পরিষ্কার না।

এই Prompt Engineering ক্যাটাগরির উদ্দেশ্য খুব সোজা।

এখানে আমি টুল রিভিউ করবো না।
এখানে আমি ফিচারের তালিকা দেবো না।
এখানে আমি শেখাতে চাই কিভাবে চিন্তা করতে হয়, যাতে AI দিয়ে কাজ করানো যায়।

কিভাবে একটি প্রম্পট লিখলে সেটা কাজে লাগে
কিভাবে একই কাজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রম্পট ভিন্ন ফল দেয়
কিভাবে প্রম্পট ব্যবহার করে কনটেন্ট, ভিডিও, সার্ভিস এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করা যায়

এসবই এখানে ধাপে ধাপে আসবে।

এই ক্যাটাগরির ভেতরে ধীরে ধীরে তৈরি হবে একটি Prompt Library। সেখানে থাকবে বাস্তবে ব্যবহারযোগ্য প্রম্পট। কিন্তু সেগুলো শুধু কপি করার জন্য না। প্রতিটা প্রম্পটের পেছনের যুক্তি ব্যাখ্যা করা হবে, যাতে আপনি নিজেই পরে নতুন প্রম্পট তৈরি করতে পারেন।

আমার নতুন বই "প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং: বিগিনার গাইড" এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এই বইটা লেখার সময় একটাই কথা মাথায় ছিল। বাংলা ভাষায় যারা কথা বলেন, যারা হয়তো ইংরেজিতে ততটা স্বচ্ছন্দ নন, তারাও যেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই জাদুকরী দুনিয়াটা বুঝতে পারেন। চ্যাটজিপিটি, ক্লদ, জেমিনি এসব নাম শুনে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। এই বইটা পড়লে দেখবেন, ব্যাপারটা আসলে কতটা সহজ। গল্পের মতো করে লেখা। উদাহরণে ভরা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাজানো।
আমার নতুন বই “প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং: বিগিনার গাইড” এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
এই বইটা লেখার সময় একটাই কথা মাথায় ছিল। বাংলা ভাষায় যারা কথা বলেন, যারা হয়তো ইংরেজিতে ততটা স্বচ্ছন্দ নন, তারাও যেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই জাদুকরী দুনিয়াটা বুঝতে পারেন। চ্যাটজিপিটি, ক্লদ, জেমিনি এসব নাম শুনে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। এই বইটা পড়লে দেখবেন, ব্যাপারটা আসলে কতটা সহজ।
গল্পের মতো করে লেখা। উদাহরণে ভরা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাজানো।

এই জায়গাটা আমার “প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং” বইয়ের সরাসরি পরিপূরক। বইয়ে আমি যে চিন্তার কাঠামো, যে পদ্ধতিগুলো ব্যাখ্যা করেছি, এই ক্যাটাগরিতে সেগুলোর বাস্তব প্রয়োগ দেখানো হবে। বইয়ের ম্যানুস্ক্রিপ্ট আমি এখানে সংযুক্ত করছি, যাতে পাঠক হিসেবে আপনি বুঝতে পারেন, এই ক্যাটাগরি কোনো আলাদা আইডিয়া না, এটা একটা ধারাবাহিক কাজের অংশ।

আমি চাই এই ক্যাটাগরি তাদের কাজে আসুক
যারা নতুন
যারা ভয় পান
যারা ভাবেন AI বুঝি শুধু অন্যদের জন্য

এখানে ধীরে ধীরে এগোনোর সুযোগ থাকবে।
চাপ থাকবে না।
অপ্রয়োজনীয় শব্দ থাকবে না।

যদি আপনি সত্যিই AI ব্যবহার করে কিছু করতে চান, তাহলে এই ক্যাটাগরি আপনার জন্য।
আর যদি শুধু দেখার কৌতূহল থাকে, তাহলেও সমস্যা নেই। পড়তে পড়তেই অনেক কিছু পরিষ্কার হবে।

এই Prompt Engineering ক্যাটাগরি সেই যাত্রার শুরু।

Leave a comment

Trending